1. gopalganjkantho@gmail.com : Salim Reza : Salim Reza
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উদযাপন অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনায় গোপালগঞ্জের ‘পিঠা গার্ডেন’ কোটালীপাড়ায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কোটালীপাড়ায় ৫ কিমি খাল খননের উদ্বোধন কোটালীপাড়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ গোপালগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলা গোপালগঞ্জ আইনজীবী সমিতির মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে সংবাদ সম্মেলন কোটালীপাড়ায় ওলামা মাশায়েখদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার সাংবাদিকদের সম্মানে গোপালগঞ্জে জামায়াতের ইফতার মাহফিল এমপি জিলানীর সঙ্গে কোটালীপাড়া সাংবাদিক ফোরামের মতবিনিময়

টুঙ্গিপাড়ায় গরুর ফার্মের বর্জ্যে নদী দূষণ, অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

  • Update Time : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭২ জন সংবাদটি পড়েছেন।

সফিক শিমুলঃ
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার লেবুতলা এলাকার কাকইবুনিয়া শৈলদাহ নদীতে ডেইরি মিল্ক খামারের বর্জ্য ফেলে পানি দূষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার জন্য স্থানীয়রা টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদ মুন্সীকে দায়ী করছেন।
জানা যায়, পাটগাতি গ্রামের মৃত খায়ের মুন্সীর ছেলে মাসুদ মুন্সী দীর্ঘদিন ধরে কাকইবুনিয়া নদীর পাড়ে একটি ডেইরি খামার পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি খামারের গোবর, মল ও অন্যান্য বর্জ্য নদীতে ফেলছেন। এতে নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।
লেবুতলা কাকইবুনিয়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, এক সময় এ নদীর পানি তারা গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে অনেক সময় পান করার জন্যও ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন খামারের বর্জ্য মিশে যাওয়ায় নদীর পানি দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে এবং তা আর কোনো কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসুদ মুন্সীকে বারবার অনুরোধ করা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাসুদ মুন্সী ক্ষোভভরে বলেন, প্রয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার কাছে যান, এতে আমার কিছুই হবে না। তিনি আরও দাবি করেন, তার খামার থেকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, আমার নামে মামলা করেন আমি কোর্টে বোঝাপড়া করব।
এছাড়া, এলাকাবাসীর দাবি ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব খাটিয়ে মাসুদ মুন্সী নদীর তীরে অবৈধভাবে খামার গড়ে তুলেছেন। তবুও পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ বিশ্বাস মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, খামারের বর্জ্য নদীতে ফেললে এতে নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়। বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলার কোনো বৈধতা নেই। আমি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022-2025
Developed By GOPALGANJ SOMOY